নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাম্প্রতিকতম ঘটনার মধ্যে, যে ঘটনাটি নিয়ে দেশ উত্তাল তা হল যাজকদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে উত্তাল খ্রিস্টান সমাজ। এমনকি এই ঘটনায় রোমান ক্যাথলিক সমাজের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের পদত্যাগেরও দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহলে। এমন পরিস্থিতিতে বৌদ্ধ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে সরব হলেন তিব্বতের আধ্যাত্মিক ধর্মগুরু দলাই লামা। জানালেন, এই ঘটনা তাঁর কাছে নতুন কিছু নয়। ১৯৯০ থেকে বৌদ্ধ স্কুলগুলির শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ওঠা এমন অভিযোগ তাঁর কানে আসছে। তিনি বলেন,-“১৯৮৩-এ তিনি প্রথম এমন ঘটনার অভিযোগ পান। বৌদ্ধ স্কুলের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ভারতের ধরমশালার এক মহিলার। এরপর থেকে একাধিকবার তাঁর কানে এসেছে এমন অভিযোগ। যারা এমন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকেন তারা কোনও জাতি বা ধর্মের হন না। তাদের পরিচয় একটাই, তারা অপরাধী।”
দেশে এমণ ঘটনা, তার ওপর দলাই লামা-র এমন মন্তব্যে দেশ যে চাঞ্চল্যকর অবস্থার সৃষ্টি হবে তা আন্দাজ করাই যায়।
প্রসঙ্গত, চারদিনের জন্য নেদারল্যান্ডে গিয়েছেন দলাই লামা, সেখানে যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়া বহু মহিলার সাথে সাক্ষাৎ করেন তিনি, এমনকি প্রত্যেক ক্ষেত্রেই ততিনি প্রত্যক্ষ করেন অভিযোগের আঙুল উঠেছে বৌদ্ধ স্কুলগুলির শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতাদের অভিযোগ, বৌদ্ধধর্মকে পবিত্র মনে করলেও তাঁদের সেই ধারনা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে নির্যাতন করার পরেও এখনও মুক্ত রয়েছেন অভিযুক্ত। স্বাধীন ভাবে ঘুরে বেরাচ্ছে তারা। ফলে বৌদ্ধধর্মের উপর থেকে বিশ্বাস হারাচ্ছেন তাঁরা।“ এমন ঘটনা শোনার পরেই যৌন নির্যাতনের ঘটনায় মুখ খোলেন দলাই লামা। এমনকি এই সমস্ত ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করারও নির্দেশ দেন তিনি।
অর্থাৎ, সাধারণ মানুষ থকে শিক্ষক, সমাজে এমন ব্যবহার সত্যিই কি প্রাপ্য? ভারতের মত উন্নয়নশীল দেশে আজকের দিনে এই প্রশ্ন খুবই লজ্জাজনক মনে করেন ভারতের বিভিন্ন মহলের মানুষেরা।

No comments:
Post a Comment