নিজস্ব সংবাদদাতাঃ ইস্যু পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন।ইতিমধ্যেই বাংলায় পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে ৬ জন মারা গেছেন। মালদা,উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙা এছাড়াও অন্যান্য জেলার পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র দেখা গিয়েছিল। আহত কর্মী সংখ্যা বহু। বাদ যায়নি দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ,দিনাজপুর,নদীয়া সহ বিস্তীর্ণ পঞ্চায়েত এলাকাগুলি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি বহু হাসপাতালে। এছাড়াও বোর্ড গঠনের তোপের মাথায় গুলিবিদ্ধ হয় এক নির্বোধ শিশু। ঠিক এ প্রসঙ্গের বিরুদ্ধেই শনিবার বিজেপির এক জনসভায় প্রতিবাদী গলায় চড়া সুর বিজেপির দাপুটে কেন্দ্রীয় নেতা জয় ব্যানার্জীর। আমডাঙায় ৩ জনের প্রাণহানি হয় এই পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে। গুলি-বোমা-বারুদের কবলে পড়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে নিরীহরা।পুড়ে ছাই হয়েছে ঘর-বাড়ি। অথচ বেহাল তবিয়াতে ঘুরছে শাসকদল। এমনটাই ইঙ্গিত বিজেপি নেতা জয় ব্যানার্জীর। তিনি বলেন, আমডাঙায় ৩ সংখ্যালঘু ভাইয়ের প্রাণ গেছে সংখ্যালঘুদের হাতে, অথচ খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলছেন এসব বিএসএফদের কাজ। তারাই বাংলাদেশ থেকে অস্ত্র আমডাঙায় আনতে সাহায্য করেছে। জ্যোতিপ্রিয় বাবুর এই মন্তব্যের পাল্টা প্রশ্ন করে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যদি তাই হয় তাহলে তিনি কেন আটকান নি? তিনি তো খাদ্যমন্ত্রী, উত্তর ২৪ পরগনার বাঘ বলে নিজেকে দাবি করেন! তাহলে কি করে ৭টা থানা পেরিয়ে আমডাঙায় আসতে পারল ওই অস্ত্র। যা আমডাঙা থানা তা জানতেই পারলো না। কিসের নেটওয়ার্ক তাহলে জ্যোতিপ্রিয় বাবুর??
পাশাপাশি জয় ব্যানার্জী এও বলেন, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক তো বিএসএফদের দোষ দিচ্ছেন আবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বলছেন, আমডাঙায় পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনে খণ্ডযুদ্ধে বিএসএফদের কোনও হাত নেই, এর সম্পূর্ণ দায়িত্ব পুলিশের। কার্যত তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-মন্ত্রীদের ঘুমের ওষুধ খেতে হয় বলে দাবী কেন্দ্রীয় নেতার।তাঁর দাবী, বিজেপির ভয়ে ঘুম আসছে না শাসকদলের।

No comments:
Post a Comment