ঐতিহাসিক রায়কে কেন্দ্রী করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উমা ভারতী বলেছেন, নারী পুরুষ সমান অধিকারের প্রশ্নই আসে না। পুরুষের তুলনায় নারীর শক্তি অনেক বেশি ভারতীয় ইতিহাসে দীর্ঘদিন ধরে সেই সত্য প্রতিষ্ঠিত। তাই নতুন করে নারী-পুরুষের সমানাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে না সুপ্রিম কোর্ট।
উমা জানিয়েছেন সব ব্যাপারে আদালতে যাওয়া কিছু লোকের কেন যে স্বভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে, তিনি বুঝতে পারছেন না। ভারতবর্ষে অনেকদিন ধরেই নারীদের অধিকার পুরুষদের থেকে অনেক বেশি এবং নারী পুরুষের সমান অধিকার একটি পাশ্চাত্য ধারণা। সেটিকে কেন প্রতিষ্ঠিত করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন এবং প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে যাচ্ছেন অনেকে। তিনি বুঝতে পারছেন না।
পরকীয়া সম্পর্ক কোনও ফৌজদারি অপরাধ নয়। বৃহস্পতিবার এই ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতের পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ। এই রায়ের সঙ্গে সঙ্গে খারিজ হয়ে গিয়েছে ১৫৮ বছরের পুরনো পরকীয়া বিরোধী আইন। শীর্ষ আদালত খারিজ করে দিয়েছে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা ও ভারতীয় ফৌজদারি দণ্ডবিধির ১৯৮ ধারা। এই দুই ধারাতেই এতদিন পরকীয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হত। পরকীয়া আইনে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তাঁকে পাঁচ বছর পর্যন্ত জেল, জরিমানা কিংবা দুটো শাস্তিই একসঙ্গে ভোগ করতে হত। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ঔপনিবেশিক আমলে চালু হওয়া ওই আইন অসাংবিধানিক। এতে নারী পুরুষের সমানাধিকার খর্ব করা হয়েছে।
No comments:
Post a Comment